A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
Home / সংবাদ / প্রেমের টানে বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন যত বিদেশি নারী!!

প্রেমের টানে বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন যত বিদেশি নারী!!

ছুটে এসেছেন যত বিদেশি- ভাষা-সংস্কৃতি, ধর্ম-বর্ণসহ নানা সংস্কার ও ভেদাভেদ ভুলে শুধু প্রেমের টানে বাংলাদেশে ছুটে আসছেন বিদেশি তরুণীরা। শুধু তরুণ-তরুণীই নয়,   বয়স্ক নারীও প্রিয়জনের জন্য ঘর ছেড়েছেন। হাজার হাজার কিলোমিটার দূর থেকে উড়ে এসেছেন বাংলাদেশের গ্রামে গঞ্জে।

সর্বশেষ প্রেমের টানে হাজারো মাইল পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে এসেছেন শ্যারুন খান। যুক্তরাষ্ট্রের এই নারী ৬ এপ্রিল ঢাকায় আসেন। ফরিদপুরের ছেলে আশরাফ উদ্দিনের কাছে এসেছেন তিনি।

আশরাফ ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের ঝাউখোলা গ্রামের মো. আলাউদ্দিন মাতুব্বরের ছেলে।

ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্স শেষ বর্ষের ছাত্র আশরাফ পড়াশোনা করেন ঢাকার কবি নজরুল ইসলাম কলেজে।

এক ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবার বড় তিনি। আশরাফের বাবা পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের গাড়িচালক। পরিবারটি থাকে ফরিদপুরের নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটের স্টাফ কোয়ার্টারে।

শ্যারুন খান আমেরিকান মুসলিম। তিনি নিউইয়র্কে একটি ব্যাংকে কাজ করছেন। তাঁর বাবা সলেমান খান ও মা এলিজা খান। দুই বোনের মধ্যে শ্যারুন বড়।

আশরাফ উদ্দিন (২৬) বলেন, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে এক বছর আগে শ্যারুনের (৪০) সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। ছয় মাস ধরে চলছিল মন দেওয়া-নেওয়া। এরপরই বিয়ের সিদ্ধান্ত। ১০ এপ্রিল তাঁরা বিয়ে করেছেন।

শ্যারুন ভাঙা ভাঙা বাংলায় বলেন, ‘আশরাফ খুব যত্ন করে, খোঁজখবর নেয়। আমেরিকায় সবাই খুব ব্যস্ত। কেউ কারও খবর নেয় না। কিন্তু আশরাফ প্রায় প্রতিটি মুহূর্তে আমার খোঁজখবর নিত। এতে আমি আপ্লুত।

আমার মনে হয়েছে প্রেম বা বিয়ে যাই হোক না কেন—সম্পর্কের মূল ভিত্তি হচ্ছে কেয়ারিং।’ বাংলাদেশে এসে খুব ভালো লাগছে বলে জানিয়েছেন শ্যারুন খান। তিনি বলেন, ২১ এপ্রিল তিনি যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাবেন। ছয় মাসের মধ্যে আশরাফও আমেরিকা যেতে পারবে বলে জানান শ্যারুন।

এর মাস দুয়েক আগে প্রেমের টানে বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন এক থাই-কন্যা। বিয়ে করেছেন ভালোবাসার মানুষটিকে।

কয়েকদিন আগে নাটোরের আদালতে বিয়ের কাজটি সম্পন্ন করেন তাঁরা। এই দম্পতি হলেন থাইল্যান্ডের সুপুত্তো ওরফে ওম ওরফে সুফিয়া খাতুন এবং বাংলাদেশের অনিক খান।

বিয়ের পর আদালত চত্বরে বসে সুপুত্তো বলেছেন, ‘থাইল্যান্ডের সমাজে বহু বিবাহ একটা রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমি এটা পছন্দ করি না। তাই বিয়ে করছিলাম না।  হঠাৎ করে ফেসবুকে বাংলাদেশের অনিকের সঙ্গে পরিচয় হয়। ওর সরলতা আমাকে মুগ্ধ করে।

ধীরে ধীরে ওর প্রতি আমার আস্থা জন্মেছে। আমি ওকে ভালোবেসে ফেলেছি। ওকে আপন করে নেওয়ার জন্য বারবার এ দেশে ছুটে এসেছি। এবার সে স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। বিয়ে করে আমি এখন দারুণ সুখী।’

স্ত্রীকে নিয়ে অনিক বলেন, ‘ও আমার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমি ওর সঙ্গে সারা জীবন থাকতে চাই।’ অনিকের বাবা আজাদ হোসেন বলেন, ‘মেয়েটি খুব ভালো। আমাদের আপন করে নিয়েছে। আমরা গরিব, শিক্ষিতও না। কিন্তু এ নিয়ে ওর কোনো কষ্ট নেই।’

শুধু থাই কন্যা নয়, গেল জানুয়ারি মাসেই ব্রাজিল, কানাডা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তিন নারী প্রেমের টানে উড়ে এসে বিয়ে করেছেন হবিগঞ্জ, ঝিনাইদহ ও মাগুরার তিন তরুণকে। অনেকের বয়সের বিস্তর ব্যবধান থাকলেও তা বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।

গত ৩ এপ্রিল ফেসবুকে প্রেমের সূত্র ধরে সুদূর ব্রাজিল থেকে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার জামালপুর গ্রামের বলাই ঘোষের ছেলে সঞ্জয় ঘোষের (২৮) কাছে ছুটে এসেছেন জেইসা ওলিভেরিয়া সিলভা (২৯)। তারা বিয়ের সিদ্ধান্তও নিতে যাচ্ছেন।

জেইসার কথা, এদেশ তার খুবই ভালো লেগেছে। এ দেশের মানুষ খুবই সৎ। তাই সঞ্জয় যদি তাকে জীবনসঙ্গী করতে চায় তাহলে আপত্তি নেই।

এর আগে গেল বছরের ডিসেম্বর মাসে ব্রাজিলীয়ান নারী সেওমা ভিজেহা (৪৭) প্রেমের টানে সাত সমুদ্র পাড়ি দিয়ে ছুটে আসেন হবিগঞ্জে নবীগঞ্জের ছেলে কলেজছাত্র আবদুর রকিবের (২২) কাছে। চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ রকিবকে বিয়ে করেন সেওমা।

একই সময়ে (২ জানুয়ারি) এলিজাবেথ (২১) নামে এক মার্কিন তরুণী যুক্তরাষ্ট্র থেকে ছুটে আসেন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার রাখালগাছি গ্রামের পঞ্চানন্দ বিশ্বাসের ছেলে মিঠুন বিশ্বাসের (২২) কাছে। ফেসবুকে তাদের পরিচয় ও প্রেম। এর সূত্র ধরেই পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন মিঠুন ও এলিজাবেথ।

অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনার সুবাদে মাগুরার ছেলে কাজী মারুফুজ্জামান চন্দনের সঙ্গে প্রেম হয় অস্ট্রেলীয় নারী আসান ক্যাথরিনার।

প্রেমের টানেই সুদূর অস্ট্রেলিয়া থেকে ক্যাথরিনা ছুটে আসেন চন্দনের মাগুরার বাড়িতে। এসে সংসার পাতেন। ক্যাথরিনা বলেন, ‘এদেশে এসে আমি খুব খুশি। ভাবতেও পারিনি এদেশের মানুষ আমাকে এতটা আপন করে নেবে।’

প্রেমের টানে গেল বছরের ৩০ মার্চ সপরিবারে অস্ট্রেলিয়া থেকে বরিশালে আসেন এমিলি রেবেকা পার নামের এক তরুণী। নগরীর বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সাবেক সাবেক কাউন্সিলর শফিকুল আলম গুলজারের ভাতিজা সাইদুল আলম রুমানকে বিয়ে করেন।

প্রেমের টানে বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন মালয়েশিয়ান এক নারী। ইসহারি নামে মালয়েশিয়ান ওই নারী বাংলাদেশে এসে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার ফরিদপুর গ্রামের প্রেমিক জহুরুল ইসলামের বাড়িতে উঠেছেন।

জহুরুল ওই নারীকে বন্ধু বলে দাবি করলেও ইসহারি জানান, জহুরুল তার স্বামী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলমডাঙ্গা উপজেলার ফরিদপুর গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে জহুরুল ইসলাম (২৫) চার বছর আগে মালয়েশিয়ায় যান। মাসখানেক আগে তিনি দেশে ফিরে আসেন। এরপর ২৭ মে তার বাড়িতে মালয়েশিয়া থেকে ছুটে আসেন চল্লিশোর্ধ্ব এক নারী।

প্রেমের টানে বাংলাদেশে এলেন ভিয়েতনামী তরুণী। প্রেমিক চাঁদপুরের যুবক আলমগীর। বয়স ৩৫।

প্রেমিকা টিউ থিতু। বয়স ৩০। ভালোবেসে এরইমধ্যে সংসারও পেতেছেন তারা।   ভিয়েতনামী এই কন্যা বাংলাদেশি যুবক আলমগীরকে

ভালোবেসে এদেশে সংসার পেতেছেন। ভালোবাসার সূচনা মালয়েশিয়ায় হলেও প্রেমিক যুগল এটিকে বাস্তবে রূপ দিতে ছুটে আসেন দেশের বাড়িতে।

/Trickwalls

Check Also

রাতে বললো মেয়ে অসুস্থ, সকালে গিয়ে পেলাম মেয়ের লাশ!!

রাতে বললো মেয়ে অসুস্থ- রাতে শ্বশুর শাশুড়িকে ফোন করে জামাতা বললেন আপনাদের মেয়ে খুবই অসুস্থ তাকে …