Sunday , December 17 2017
Breaking News
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
Home / লাইফস্টাইল / সরকারী অনুমোদন ব্যতীত বিবাহ রেজিষ্ট্রার বিষয়ক তথ্য ও মতামত

সরকারী অনুমোদন ব্যতীত বিবাহ রেজিষ্ট্রার বিষয়ক তথ্য ও মতামত

মুসলিম আইন অনুসারে মুসলিম বিবাহ রেজিষ্ট্রেশন একটি ধর্মীয় ও দেওয়ানী চুক্তি। নিকাহ্নামা হচ্ছে উক্ত দেওয়ানী চুক্তির প্রমাণপত্র। আকদ্-এ নিকাহ্ সম্পনের বা বর কনের ইযাব কবুলের মাধ্যমে সাক্ষীগণের উপস্থিতিতে বিবাহ রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন হয়। ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন মতে কন্যা পর্দানশীল হলে তার ক্ষমতাপ্রাপ্ত এটর্নি (এজেন্ট) বা উকিলের মাধ্যমে কণের সম্মতি আদায় করা হয়। মুসলিম নারীর এটর্নি (এজেন্ট) বা উকিল নিয়োগ করা শরীয়ত ও আইনসম্মত। কণের ইজন নেওয়ার সময় দুজন সাক্ষী আবশ্যক। ১৯৭৫ সালের মুসলিম বিবাহ ও তালাক রেজিষ্ট্রেশন আইনের ২৪ বিধি অনুযায়ী বাংলাদেশ ফরম নং- ১৬০০ নিকাহ নামার ৭নং কলামে কন্যা কর্তৃক উকিল নিয়োগের বিধান রয়েছে। এবং ৮নং কলামে উকিল নিয়োগের ব্যাপারে দুই জন সাক্ষীর বিধান রয়েছে। উক্ত আইন অনুযায়ী স্পষ্ট বুঝা যায় যে, কণে নিকাহ্ রেজিষ্ট্রারের/ আকদ্ সম্পন্নকারীর সামনে উপস্থিত হওয়া আবশ্যক নয় এবং রেজিষ্ট্রার বইতে কণের উকিল ও দু’জন সাক্ষীর স্বাক্ষর নিলে কণের স্বাক্ষরের প্রয়োজনীয়তা নেই। তাই কণের ব্যাপারে ভুল তথ্য ও মিথ্যা তথ্যের জন্য সম্পূর্ন দায় দায়িত্ব উকিল এবং সাক্ষীগণের। এতে নিকাহ্ রেজিষ্ট্রার এর কোন দায়দায়িত্ব নেই। বর কণে পক্ষ সামাজিকভাবে বিবাহের পূর্ব ফর্দ্দ যাচাই বাছাই বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। এমনকি মসজিদের ইমাম সাহেবদেরকেও আকদ্  এর তারিখ ও সময় নির্ধারণ করে দেন। তারপর কাজী সাহেবদেরকে বিবাহ রেজিষ্ট্রারী করার জন্য আহবান করেন। তখন কাজী সাহেবগণ জন্ম নিবন্ধন, ভোটার আই ডি কার্ড এবং সাক্ষীগণের বিভিন্ন তথ্য জেনে বালাম বইতে এন্ট্রি করেন। বালাম বইতে সব তথ্য ঠিক আছে মর্মে বর কণে পক্ষের লোকজন সনাক্ত করার পর কাজী সাহেব বালাম বইতে স্বাক্ষর প্রদান করার পর বিবাহটি রেজিষ্ট্রার্ড মর্মে ধরে নেয়া হবে।
মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা ২০০৯ ২৩ ক (১) ধারায় বলা আছে, নিকাহ রেজিষ্ট্রারগণ নিকাহ রেজিষ্ট্রির পূর্বে জাতীয় পরিচয়পত্র/ জন্মনিবন্ধন সনদ পরীক্ষা করে বিবাহ পড়াবেন। উক্ত আইনের ২৩(৩) ধারায় বলা আছে বিবাহ নিবন্ধনের সময় বর কনে বা অন্য কেউ কোন মিথ্যা তথ্য দিলে এবং উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে কোন বিবাহ নিবন্ধন করা হলে তার জন্য কোন নিকাহ্ রেজিষ্ট্রার দায়ী হইবেন না। উল্লেখিত বিধিমালা থেকে ষ্পষ্ট বুঝা যায় যে, সরল বিশ্বাসে জন্ম নিবন্ধন বা আই.ডি কার্ড, এফিডেফিট ও সাক্ষীদের প্রদত্ত তথ্য মতে বিবাহ রেজিষ্ট্রি করলে তার জন্য নিকাহ রেজিষ্ট্রার দায়ী থাকবেন না। ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনে সাবালকত্ব বলতে বুঝায়, কণের বয়স ১৮ বৎসর ও বরের বয়স ২১ বৎসর হতে হবে। এই আইন বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। বর্তমানে নিকাহ রেজিষ্ট্রারগণ বর কণের জন্ম নিবন্ধন, আই.ডি কার্ড ও কণে কর্তৃক নিয়োগকৃত উকিল ও সাক্ষীগণের
চলমান পাতা ঃ- ০২
পাতা-০২

তথ্যের ভিত্তিতে নিকাহ নামা লিপিবদ্ধ করেন। আইন মোতাবেক সাক্ষীগণ যে তথ্য প্রদান করবেন নিকাহ্ রেজিষ্ট্রারগণ তা লিপিবদ্ধ করতে বাধ্য। নিকাহ্ রেজিষ্ট্রি করতে অস্বীকৃতি জানালে তার বিরুদ্ধে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বরাবরে অভিযোগ দায়ের করা হয়। উল্লেখিত আলোচনা থেকে ষ্পষ্ট বুঝা যায় বাল্য বিবাহ সম্পাদনের জন্য নিকাহ্ রেজিষ্ট্রারগণ দায়ী নয় বরং পক্ষগণ ও তাদের নিয়োজিত সাক্ষীগণই দায়ী। বর্তমানে আলেম সমাজ ও সরকার নিয়োজিত কাজীদের হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য একটি মহল উঠে পড়ে লেগেছে। এমনকি পত্র পত্রিকায়ও তারা বহু বিবাহ এবং বাল্য বিবাহের জন্য শুধু নিকাহ্ রেজিষ্ট্রারকে দায়ী করে এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন ও সাধারণ মানুষকে উত্তেজিত করে তুলে। যুগ যুগ ধরে এই চুক্তির কার্যাদি পবিত্র আমানত হিসাবে সততা, ন্যায় নিষ্টা ও পেশাগত দায়িত্ব হিসাবে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী কাজী সমাজ বা নিকাহ রেজিষ্ট্রারবৃন্দ বর কণের নিকাহ্ রেজিষ্ট্রার সম্পাদন করে আসছেন। নিকাহ রেজিষ্ট্রেশনের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে সন্তানের অভিভাকত্ব, দাম্পত্য সম্পর্ক, সম্পত্তির উত্তরাধিকার, দেনমোহর, খোরপোষ ইত্যাদি প্রমান ও আদায় করা সম্ভব। বর্তমানে হিন্দু বিবাহ রেজিষ্ট্রেশন আইনও পাশ হয়েছে এবং রেজিষ্ট্রার নিয়োগ হয়েছে। বিধি মোতাবেক একজন নিকাহ্ রেজিষ্ট্রার বা কাজীর দায়িত্ব হল বর কনে বা তাদের নিয়োজিত উকিল ও সাক্ষীদের তথ্যের ভিত্তিতে নিকাহ্ রেজিষ্ট্রারগণ সতর্কতার সাথে একটি নির্ভুল নিকাহ্ রেজিষ্ট্রেশন সম্পাদন পূর্বক বালাম বইতে এন্ট্রি বা লিপিবদ্ধ করা। রেজিষ্ট্রেশন আইনের ৮৬ ধারা অনুযায়ী রেজিষ্ট্রার মহোদয় রেজিষ্ট্রেশনের ত্র“টির জন্য দায়ী নহেন। নিকাহ্ রেজিষ্ট্রারগণ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের অধীনে নিয়োগ প্রাপ্ত হন বিধায় তারা পাবলিক সার্ভেন্ট এর সংজ্ঞার আওতাভুক্ত হয়। ফৌজদারী কার্য্যবিধির আইনের ১৯৭ ধারা অনুযায়ী সরকারী অনুমতি (ঝধহপঃরড়হ) ব্যাতীত পাবলিক সার্ভেন্টকে বিচারের সম্মুখীন করা যাবে না। উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তে এটা সুস্পষ্ট যে, নিকাহ রেজিষ্ট্রার একজন পাবলিক সার্ভেন্ট এবং সরকারী সেনশান ব্যতীত তাকে ফৌজদারী বিচারে সোপর্দ করা যাবে না। (২১ উখজ (ঝঈ) (১৯৬৯)) চধমব হড়-৩৩০ এবং ৫১ উখজ(ঐঈ) (১৯৯১) চধমব ঘড় ০২৫। এতদ সংক্রান্ত মহামান্য উচ্চ আদালতের সুষ্পষ্ট নজির থাকা সত্বেও পুলিশ প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তা কোন পক্ষ হতে অন্যায়ভাবে প্রভাবিত হইয়া বিভিন্ন সময় অনেক নিরীহ, অসহায় কাজীদের গ্রেপ্তার করে ও তাদের অফিসে রক্ষিত বালাম বই জব্দ করে। যাহা কাজীদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে চরম প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। কাজীদের বিরুদ্ধে যেকোন অনিয়ম এর অভিযোগ মুসলিম বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন বিধিমালা ২০০৯ এর ২৪ ধারার বিধান অনুসারে জেলা রেজিষ্ট্রারের নিকট কোন অভিযোগ করতে হবে। উক্ত আইনের বিধান মতে, বিবাহ নিবন্ধন সংক্রান্ত যেকোন অভিযোগ নিকাহ্ রেজিষ্ট্রার কর্তৃক প্রত্যাখানের ৩০ দিনের মধ্যে জেলা রেজিষ্ট্রারের নিকট আপীল পেশ করতে হবে এবং এই আপীল সংক্রান্তে জেলা রেজিষ্ট্রারের আপীল চুড়ান্ত বলে গন্য হবে। উক্ত আইনের ২৮ধারার বিধান মতে নিকাহ রেজিষ্ট্রার কাবিননামায় স্বাক্ষর
চলমান পাতা ঃ- ০৩
পাতা # ০৩

না করলে উক্ত কাবিননামা প্রত্যাখান বা ফেরৎ/বাতিল মর্মে গন্য হবে। নিকাহ্ রেজিষ্ট্রারের বিরুদ্ধে জেলা রেজিষ্ট্রারকে অভিযোগ না দিয়ে কিংবা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের অনুমোদন ছাড়া সরাসরি আদালতে বা থানায় মামলা দায়েরের কোন সুযোগ নেই। তাকে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সুযোগ দিতে হবে। বৈবাহিক প্রতারনা বন্ধে কতিপয় সুপারিশমালা নিুে উপস্থাপন করা হলোঃ-

০১।     বর – কণের পরিচয়দানকারীর পুর্ণাঙ্গ নাম, ঠিকানা ইত্যাদি কাবিননামায় থাকতে হবে।
০২।     কোর্ট ম্যারেজের নামে এফিডেভিটের বিয়ে বন্ধ করা, কেননা কোর্ট ম্যারেজের জন্য সরকার কোন অফিসার নিয়োগ করেনি।
০৩।     বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত নিকাহ্ রেজিস্ট্রার অফিসকে নিয়ন্ত্রনের জন্য ফ্রান্স মডেলে “ম্যারেজ ব্যুরো’ প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যার কেন্দ্রীয় অফিস হবে ঢাকায়। প্রতিটি বিয়ে অন লাইনে/ ইন্টারনেটে ম্যারেজ ব্যুরোর কেন্দ্রীয় অফিস ও শাখা অফিসে প্রেরিত হবে। এতে কেউ তথ্য গোপন করে এক বিয়ে বহাল থাকাবস্থায় অন্য বিয়ে করতে পারবে না।
০৪।     আইনে নাবালক কিংবা শিশুর বয়স সম্পর্কে একটি কমন সংজ্ঞা থাকতে হবে। ভিন্ন ভিন্ন আইনে ভিন্ন ভিন্ন সংজ্ঞা আইনী জটিলতার সৃষ্টি করে।
০৫।     বয়স ও তথ্য গোপনের জন্য কাজীকে নয় মিথ্যা তথ্য সরবরাহকারী সংশ্লিষ্ট বিয়ের উকিল বা পরিচয়দানকারীকেই শাস্তি দিতে হবে। এজন্যে কাবিননামায় হলফনামা/সত্যপাঠ থাকতে হবে।
০৬।     ভূয়া বিয়ে রেজিষ্ট্রি বন্ধে বর কণের ছবি কাবিননামায় সংযোজন করতে হবে।
০৭।     জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট কিংবা রেজিষ্ট্রেশন নং, বার্থ সার্টিফিকেট কাবিননামায় উল্লেখ বাধ্যতামূলক করতে হবে।
০৮।     কাবিননামার ৮নং কলামে কন্যার উকিল নিয়োগেরে ব্যাপারে কারা সাক্ষী হতে পারবেন তা উল্লেখ থাকতে হবে।
০৯।     সাবালক, সুস্থ, স্বাধীন, মুসলিম নাগরিক এর বিয়েতে ২ জন সাক্ষী এবং নিকাহ্ রেজিষট্রার ও মৌলভীর সাক্ষীই যথেষ্ট।
১০।     বিবাহ রেজিষ্ট্রি স্ব স্ব এলাকার কাজী অফিসে গিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। কোন গ্রহণযোগ্য অজুহাত ছাড়া কমিশনে নিকাহ রেজিষ্ট্রি করা যাবে না। এতে দুর্নীতিও প্রতারণা বন্ধ হবে।
১১।     বিয়ে রেজিষ্ট্রির দায়িত্ব বরের। আকদের ৪৮ ঘন্টার মধ্যে বিয়ে রেজিষ্ট্রি না করলে বরের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
চলমান পাতা ঃ- ০৪
পাতা # ০৪

১২।     নিকাহ রেজিষ্ট্রির জন্য আইন অনুযায়ী নিকাহ রেজিষ্ট্রারকে কমপক্ষে বিয়ের ৩ দিন আগে নোটিফাই করতে হবে। হুট করে তাৎক্ষনিক কোন বিবাহ রেজিষ্ট্রি করা যাবে না।
১৩।     কোন নিকাহ্ রেজিষ্ট্রার যাতে স্ব স্ব অধিক্ষেত্র লংঘন না করেন সে ব্যাপারে কঠোর আইনী ব্যবস্থা নিতে হবে।
১৪।     যেসব কাজী ভূয়া কাবিননামা সৃজন করে, নাবালক এর বিয়ে ও প্রতারনার বিয়েতে ইচ্ছাকৃতভাবে দুর্লোভের বশবর্তী হয়ে বেআইনী কাজ করে তাদের বিরুদ্ধে জেলা রেজিষ্ট্রার এবং কাজী সমিতি তাদের পেশায় মর্যাদা রক্ষার্থে বহিস্কার কিংবা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
১৫।     পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোন কাজীকে পুলিশী হয়রানি, মামলা মোকদ্দমায় জড়ানো, বালাম জব্দ ইত্যাদি করা যাবে না। এ ব্যাপারে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের বা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ে অনুমোদন নিতে হবে। পুলিশ এ ব্যাপারে ক্ষমতার অপব্যবহার করলে তার বিরুদ্ধে আইন আমলে আসবে।
১৬।     নিকাহ রেজিষ্ট্রারদের নিয়মিত বিবাহ সংক্রান্ত আইন যথাক্রমে বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন, যৌতুক নিরোধ আইন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, শিশু আইন ১৯৭৪, মুসলিম বিবাহ ও তালাক রেজিষ্ট্রেশন আইন, অভিভাবকত্ব আইন, মুসলিম পারিবারিক অধ্যাদেশ আইন বিধিমালা প্রভৃতি সম্পর্কে নিয়মিত প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করতে হবে।
১৭।     কাবিননামায় মোহরানা আদায়ের পদ্ধতি একত্রে না কিস্তিতে তা উল্লেখ থাকতে হবে এবং বিবাহের দিনই মোহরানা একাউন্ট (যদি কিস্তিতে আদায়যোগ্য হয়) খোলার কলাম কাবিননামায় থাকতে হবে। তাহলে বহু মিথ্যা যৌতুকের ও নারী নির্যাতন মামলা কমে যাবে।
১৮।     তালাক “বি” (স্বামী কর্তৃক), তালাক “ডি” (স্ত্রী কর্তৃক) এর মতো তালাক “সি” (উভয়ের সমঝোতা) এর ক্ষেত্রেও শালিশী আদালতকে পাশ কাটিয়ে কাজীরা তালাক রেজিষ্ট্রি করলে তা বিধি সম্মত হবে না। রেজিষ্ট্রি করলেও তা শালিসী আদালতকে অবহিত করতে হবে।

পরিশেষে বলা যায়, নিকাহ রেজিষ্ট্রেশন একটি গুরুত্বপূর্ন কাজ, বিবাহ রেজিষ্ট্রি না হলে বৈবাহিক চুক্তি থেকে উদ্ভুত দায় দায়িত্ব প্রমাণ করা দুরূহ হয়ে পড়ে। অনেকক্ষেত্রে সন্তানের অভিভাবকত্ব, দাম্পত্য সম্পর্ক, সম্পত্তির উত্তরাধিকার, মোহরানা, খোরপোষ ইত্যাদি প্রদান ও আদায় করা সম্ভব হয় না। তাই এব্যাপারে একটি নির্ভুল নিকাহ রেজিষ্ট্রেশন সম্পাদনে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক দায়িত্ব পালন করতে হবে। নচেৎ বহু বিবাহ, নারী নির্যাতন, বাল্য বিবাহ, পাচার, ধর্ষন ইত্যাদি অপরাধ দূর করা যাবে না। এসব বিষয়ের গুরুত্ব অনুধাবনে সরকার বর্তমানে হিন্দু বিবাহ রেজিষ্ট্রেশন আইনও চালু করেছে।  তবে তা বাধ্যতামূলক হওয়া বাঞ্চনীয়।

লেখক-

লেখকঃ অ্যাডভোকেট এএমজিয়া হাবীব আহ্সান

Check Also

তারকাদের আলোচিত শিশুরা, দেখুন ছবিতে…

তারকাদের আলোচিত শিশুরা- তারকাদের ব্যক্তি জীবন নিয়ে পাঠকের আগ্রহের কোন কমতি নেই। কারণ সময় এখন বদলে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.