Friday , June 23 2017
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
Home / নারীর স্বাস্থ্য / স্তন নয়, ফুসফুস ক্যান্সারে নারী মৃত্যুর হার বেশি

স্তন নয়, ফুসফুস ক্যান্সারে নারী মৃত্যুর হার বেশি

আধুনিক বিশ্বে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত নারীদের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। আধুনিকতা, খাদ্যাভ্যাস বিভিন্ন কারনে এই প্রবণতা বাড়ছে। তবে অবাক করা খবর হলো স্তন ক্যান্সারে নয়, আধুনিক বিশ্বে ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি নারীর মৃত্যু ঘটছে।
গত কয়েক বছর ধরে ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত পুরুষের চেয়ে নারী মৃত্যুর হার বেশি। উল্লেখ্য, কয়েক দশক ধরে ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে পুরুষদের মৃত্যুর সংখ্যা সর্বাধিক। ক্যান্সার গবেষণা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘আমেরিকা ক্যান্সার সোসাইটি’ বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এতথ্য প্রকাশ করে।
গবেষক লিন্ডসে টরে বলেন, ‘গত তিন দশক ধরে ধূমপানের কারণে ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে নারী মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।’
২০১২ সালে সারা বিশ্বে এক কোটি ৪০ লাখ মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। এর মধ্যে ৮০ লাখ আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয়। উন্নয়নশীল দেশে ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রায় ৫৭ শতাংশ। আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুর হার ৬৫ শতাংশ বলে জানিয়েছেন টরে।
সারা বিশ্ব জুড়েই গত কয়েক দশক ধরে পুরুষদের মৃত্যুর অন্যতম কারণ ফুসফুস ক্যান্সার। কিন্তু দরিদ্র দেশগুলোতে নারী মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ স্তন ক্যান্সার। এছাড়া বিশ্বজুড়ে মলাশয় (কোলন) ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে।
উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে পুরুষ এবং নারীদের মধ্যে যথাক্রমে প্রোস্টেট এবং স্তন ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।
সেই পঞ্চাশের দশক থেকে সারা বিশ্বে ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে পুরুষের মৃত্যুর হার সর্বাধিক। কিন্তু ১৯৮০ সাল থেকে ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে নারী মৃত্যুর হারও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। এর প্রধান কারণ নারীদের মধ্যেও ধূমপানের প্রবণতা বেড়েছে।
তবে সুখবর দিয়ে টরে বলেন, ‘উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে ফুসফুসের আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কমে আসছে। ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুর হার এরই মধ্যে হ্রাস পেয়েছে।’
ক্যান্সার গবেষণা বিষয়ক মার্কিন এই সংস্থা আরও জানায়, অর্ধেকের বেশি ক্যান্সার আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা নিয়ে পুরোপুরি আরোগ্য লাভ করেন। পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহন এবং নিয়মিত ব্যায়াম ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করে। এছাড়া হেপাটাইটিস টিকা যকৃত ক্যান্সার এবং এইচপিভি টিকা সার্ভিকাল ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করে।
টরে আরও বলেন, ‘ধূমপান বন্ধ করা এবং পরবর্তীতে আর কখনো ধূমপান শুরু না করা ফুসফুস ক্যান্সারের ৬০ শতাংশ ঝুঁকি হ্রাস করে। বিশেষ করে মধ্য বয়সে যারা ধূমপান ছেড়ে দেন, তাদের মধ্যে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা অনেকাংশে কমে।’

Check Also

নারীরা কেন মাইগ্রেনে বেশি ভোগেন?

পুরুষের তুলনায় নারীদের মাইগ্রেনজনিত মাথাব্যথার সমস্যা প্রায় চারগুণ বেশি। বিশেষজ্ঞরা এর নানা কারণ পেয়েছেন। তবে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *